Friday, March 31, 2017

এমনি কয়েকটা পুরোনো লাইন

সেবারের শীতকালটা ভাল ছিল।
গা দিয়ে ধোঁয়া ওঠা প্রেম ছিল,
গন্ধ ছিল আদরে মাখো মাখো।
চিবুকে ঘাম ছিল, চোখ ছিল বোজা 
জিভ ছিল, দাঁত ছিল, স্তনের খাঁজে ছিল গরম নিঃশ্বাস 
বাইরে শেষ হচ্ছিল বিকেলবেলা

মনেহয়

প্রতিবার ঘুম থেকে উঠে,
প্রতিবার কাম সেরে উঠে...
মনেহয় আরো একটু বাকি।
প্রতিবার বিদায়ের আগে মনেহয়,
তোমায় আরো একটু ছুঁয়ে থাকি।
ঘন চুম্বন শেষে মনেহয়
আরো একটু আবেশে থাকি।
প্রতিবার কবিতার শেষে মনে হয়,
এটা থাক আর একবার অন্য একটা লিখি।

Friday, March 17, 2017

emnie

১. ধর্ম, সত্যবাদিতা, সহিষ্ণুতা, দয়া— এই সবই কলিযুগে মানুষের হৃদয় থেকে লোপ পাবে। 
(শ্রীমদভাগবৎ, ১২.২.১.)
২. কলিযুগে অর্থই মানুষের সামাজিক সম্মানের একমাত্র নির্ণায়ক হয়ে দাঁড়াবে।
(শ্রীমদভাগবৎ, ১২.২.২.)
৩. যৌনক্ষমতার ভিত্তিতেই নারীর নারীত্ব এবং পুরুষের পুরুষত্ব নির্ধারিত হবে কলিযু‌গে।
(শ্রীমদভাগবৎ, ১২.২.৩.)
৪. কি‌ছু বাহ্যিক আচারবিচারের ওপরেই মানুষের আধ্যাত্মিক অবস্থান নির্ভর করবে।
(শ্রীমদভাগবৎ, ১২.২.৪.)
৫. দরিদ্র মানুষকে অপবিত্র মনে করা হবে, এবং শঠতা গুণ বলে বিবেচিত হবে।
(শ্রীমদভাগবৎ, ১২.২.৫.)
৬. ধর্মচর্চার একমাত্র লক্ষ্য হয়ে দাঁড়াবে সামাজিক সুনাম অর্জন।
(শ্রীমদভাগবৎ, ১২.২.৬.)
৭. দুর্নীতিপরায়ণ মানুষদের মধ্যে যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট সে-ই অর্জন করবে রাজনৈতিক ক্ষমতা।
(শ্রীমদভাগবৎ, ১২.২.৭.)
৮. খরার পীড়নে মানুষ সর্বস্বান্ত হবে।
(শ্রীমদভাগবৎ, ১২.২.৮.)
৯. অতিরিক্ত গরম বা অতিরিক্ত ঠাণ্ডা এবং রোগ, ব্যাধি ও মানসিক অশান্তির তাড়নায় মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠবে।
(শ্রীমদভাগবৎ, ১২.২.৯.)
১০. অসচ্চিরত্র মানুষ ধার্মিকের ভেক ধরে অর্থ উপার্জন করবে কলিযুগে।
(শ্রীমদভাগবৎ, ১২.২.৩৮.)

হল্লুমান

লীলা মজুমদার 'লঙ্কাদহন পালা' তে এই নামেই সম্বোধন করিয়েছিলেন পবনপুত্রকে।
উনি বীর, উনি ভদ্র (বানর সুলভ নন), উনি সাত্তিক, নিরহঙ্কারী এবং দেখা যাচ্ছে যে যুদ্ধটা স্রেফ একা দিন ৩/৪ এ নামিয়ে দিতে পারতেন, রামের জন্য ১৪দিন ধরে বোরডাম সহ্য করলেন। মাঝখানে একটু 'লু ব্রেক' এর মত গন্ধমাদন আনতে গেছিলেন এই যা।
আমাদের ওয়ার্ক এডুকেশন- ফিজিকাল এডুকেশন এর স্যার একটা গল্প করতেন (যখন যখন ওনার সাবধান-বিশ্রাম এর প্যানপ্যানানি ভাল লাগতনা)। লঙ্কা টঙ্কার যুদ্ধ মিটে গেছে, হনূমান কিষ্কিন্ধায় গেছেন, ওনার মায়ের সাথে একবার দেখা করতে। মা কে রামের বীরত্বের অনেক গল্প বলছেন, কিভাবে তিনি রাবনের মত বীরকে মারলেন ইত্যাদি ইত্যাদি। হনুমানের মাতৃদেবী পুজো-আচ্চা জাতীয় কিছু একটা করছিলেন আর গপ্পো শুনছিলেন, তো হাতের কাজটা সেরে নিয়ে বললেন, "তুই একটা আস্ত মুর্খ!" 
হনুমান তো হাঁ! একটা ইয়াব্বড় সাগর লাফালুম, এমনি ঢাউস একটা পর্বত বগলে করে নিয়ে এলুম, রামকে কাঁধে চড়িয়ে যুদ্ধু করালুম আর বলে কিনা আমি মুর্খ! 
তা অঞ্জনা (স্যার নাম বলেননি কোনদিন) দেবী বললেন, "হ্যাঁ, ভেবে দেখ তুই অতবড় পাহাড়টাকে না এনে টুকুস করে লঙ্কাটাকে এনে রামের দোরগোড়ায় রাখতে পারতি, বেকার এত খাটনি হতনা।"
আজ কি একটা কথা হতে হতে পুরাণের কথায় চলে গেছিলাম সেখান থেকে কথা এল সমস্ত পুরাণের বেস লাইন সেম, শুধু একটু ঘুরিয়ে ফিরিয়ে গপ্পো বলা হয়েছে, মায় চরিত্র গুলোও এক রকম। চীনা মিথোলজিতে 'মাঙ্কি কিং' বলে একটি চরিত্র আছে যিনি দুর্বিনীত ছিলেন (হনুমান ও ছোটবেলায় ছিলেন), দেবতারা তাকে বর দিয়ে রেখেছিলেন যে এই মাঙ্কি কিং মরবেওনা আর কেউ তার লোম ও ছিঁড়তে (এখানে কথাটা উপযুক্তার্থে ব্যবহৃত) পারবেনা। হনুমানেরও এরকম বর ছিল। এনাকেও মাঝে মধ্যে মনে করিয়ে দিতে হত কি ভীষণ ক্ষমতা এনার, হনুমানকেও দিতে হয়েছিল সাগর পার হবার সময়। মোদ্দা কথা হল হয় বাল্মিকী নয় চীনা ম্যান কেউ একজন ঝেঁপেছে আর নয়ত সে সময় কপিরাইট নিয়ে বাওয়াল হত না। 
একটু হেজিয়ে নিলাম, আর একটু। আসল কথা হল এই কথা বার্তা থেকে আমার মনে হল বাল্মিকী হনুমানের মত লোককে ঠিক স্পেস দেয়নি। ভারতীয় সাহিত্যের এই এক দোষ, বুদ্ধির গুন গাইতে বেশি ভালবাসে, গায়ে শক্তি থাকাটা যেন শুধুই দু-ফোটার অতিরিক্ত পোলিও খাবার ফল। দেখুন রাম, অর্জুন এদের নিয়ে কি আদিখ্যেতা! এমন যে যারা একটু বলশালী বা স্বাস্থ্যবান হন তারা যেন মাথামোটা হবেনই, এবং তারা প্রেম ট্রেমও করতে পারবেন না। বলরাম সারা জীবন মদ খেয়ে কাটালেন কেন? কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের সময় তীর্থে চলে গেলেন কেন? ব্যাসদেব চোখের সামনে কৃষ্ণ কে দিয়ে গুচ্ছ প্রেম করালেন আর ওনাকে? এদিকে অ্যাকিলিস কে দেখুন (ট্রয় সিনিমার ইন্ট্রোডাকশন সিনটার কথা মনে করুন)।
মানে এই মেগা সিরিয়াল ধারা আবহমান কাল ধরে চলে আসছে, নইলে কেউ একজন লিখতে পারত হনূমান বা ভীম কে নিয়ে কিছু একটা, এক রাজশেখর বসু ছাড়া আর কেউ হাতই দিলেন না। অবিচার। 
তা যাক কি আর করা! আমি উপেন্দ্রকিশোর এ আসি। ইনি ছেলেদের রামায়ণ, মহাভারত লিখেছিলেন (আমি দেখেছি এই নামকরণে ভুল করার ফলে মেয়েরা বিশেষ করে এই বই গুলো বোধহয় পড়েইনি)। ওখানে রামায়নের একটা জায়গায় রাবণ আর হনুমানের একটা মারামারির জায়গা ছিল। উফ! কি ভীষণ কম মারামারি লিখে কি এপিক মারামারির পর্যায়ে নিয়ে গেছেন কি বলব। গল্পটা এরকম, রাবন তো সেজেগুজে এসেছেন আজ রাম-লক্ষনকে কেলিয়ে লাট করবেন বলে। এসেই শক্তিশেল ছুড়ে দিলেন লক্ষণকে আধমরা করে। এইবার হনুমান ক্ষেপে গেলেন, গিয়ে এক লাফে রথে চড়ে রাবণের বুকে এক কিল। রাবণ মিনিট পাঁচেক অজ্ঞান। হনূমান এতটা ভাবতে পারেননি, দশটা মাথা, কুড়িটা হাত এক কিলেই কেলিয়ে যাবেন এটা দেখে ভেবলে গিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। রাবণ উঠেই হনুমানকে এক থাবড়া। এরপর আর মারামারির কথা লেখেননি। :( বাল্মিকী তো ওপথই মারাননি। আসলে গপ্পোটা এখানেই, রাবণকে মারার টেন্ডারটি রামের ছিল তাই কবি আর চাপ নেননি। কিন্তু ঐ প্রথমে লিখেছি, হনুমান লড়লে ৩থেকে ৪দিন লড়াই হত। রাবন যতবড় বীরই হোন হনুমান তো মরত না আর ঐ রেটে লাফালাফি করলে রাবন জাস্ট হাঁপিয়ে সীতাকে ছেড়ে দিত। একটাই প্রবলেম হত, মধু কবির অত ভাল কাব্যটা লেখা হতনা এই যা!

Wednesday, January 27, 2016

রামে ৩ বা এমনি আরো একটা

 astrology জিনিসটা সরেস বটে তবে বটের আঁঠার চেয়েও চটচটে। এমনি নয় যে হাল্কার উপর ছেঁকে নিয়ে গ্লাসে ঢেলে দিয়ে দিলুম আর আপনি ঢোক্কৎ করে মেরে গোঁপ পুছে আঃ আওয়াজ করে তৃপ্তি পেলেন! আমি বুঝলেও আপনাকে বোঝাবার মত করে বলতে আমার ইয়ে ফেটে যাবার অবস্থা। আপনি বলবেন, 'তা বাপু কে বোঝাতে বলেছে তোমাকে'? কেউ না।  মা কালীর দিব্বি করে বলছি আমি কাউকে বোঝাতে চাইনা, কেউ বুঝুক সেটাও আমি চাইনা আরও একটা গুহ্য কথা হল আমি দেখেছি এসব সব্বাইকার বোঝার মত ব্যাপারও না। একটু উন্নাসিক লাগল? তা লাগলে আর কি করব বলুন, এটা হক কথা।
তবে এখানে একটা paradox আছে। আমি স্বার্থপর হলেও পরস্বার্থে একটু স্বার্থত্যাগ করতে পারি, একজন হলেও তো হল, ভাল যা তার একটুকুও ভাল। তবে কিনা মোল্লা নাসিরুদ্দিনের মত অবস্থা আমার, চিনি ছাড়ার বিধান দিতে গেলে আগে নিজেকে তো ছাড়তে হবে। আম্মো শিখছি। সমোসকিত টা জানিনা বলে একটু লেবড়ে যাচ্ছি মাঝে মধ্যে। ইংরিজিতে যা বলছে সেটা যে তাই, এটা মাঝে মাঝে বুঝতে মেহন্নত করতে হচ্ছে।
তা যাকগে যাক, আজ পরাশর মুনিকে বগলের ধারে নিয়ে বসিনি, তাই যা যেমন ভাবে মনে আসে বলব। শুরুতেই বলেছিলাম astrology খুব সরেস, অনেকটা beer এর মত। ব্যাখ্যান করি, beer কে অনেকে মদ বলে বটে, তবে মদস্বরুপ কোন জটিলতা উহার নাই, তদুপরি ঝঞ্ঝাট অনেক কম শুধু শুধুই বেশ খাসা! তবু একপ্রকার নেশা হয়। beer এর নেশাটা বেশ মজার, নেশা হয়ে থাকা অবস্থায় বেশ টলমল করে, but once you pee নো নেশা নট কিচ্ছু। এ জ্যোতিষের ও এমনধারা ব্যাপার আছে, উদাহরণ দিচ্ছি, একাদশ ভাব বা রাশি চক্রের এগারো নম্বর ঘর থেকে লাভ, যানবাহনাদি, বন্ধু ও পরিচিতি মহল (friend circle) এবং পার্থিব ভোগ্য বস্তুর বিচার করা হয় এবং এইখানে কোন শুভ গ্রহ বসলে উক্ত বিষয় গুলোর ক্ষেত্রে ভাল ফল দেয়। আবার এটাও বলে একাদশ স্থানে সব গ্রহই নাকি ভাল ফল দেয় কিন্তু চর রাশি(movable sign) যদি লগ্ন হয় তাহলে ১১শ স্থানটি বাধক হিসাবে গন্য হয়। সুখের কথা না দুঃখের কথা জানিনা তবু এটা নাকি শুধু শারিরীক কিছু বাধা তৈরী করে, আর কিছু নয়। প্যাঁচালো হল কিনা ব্যাপারটা! সাধারণ সূত্র আর বিশেষ সূত্র যদি এত বিপরীত ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় তবে তো চিন্তার কথা!
আরো আছে, শুক্র গ্রহ এতদিন জানতাম খুব ভাল, নীচস্থ না হলে ভাল ভাল কাজই করে থাকেন, তা জানলুম কর্কট লগ্নের জন্য নাকি তেমন সুবিধার নয় , কেমন লাগে বলুন। তারপর কে কার বন্ধু, কে কার শত্রু এটাও এক ঝামেলার হিসাব।  এই যেমন ধরুন রবি, মঙ্গল কে বন্ধু ভাবছে অথচ মঙ্গল রবি কে শত্রু ভাবছে, ভাবুন কি ফক্কিকারি কারবার! তা যাক কে কাকে কিভাবে দেখে একটু দেখে নিন।
ছবিটা ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত। আজ এটুকুঈ থাকুক, কাল আবার পরাশর বাবুর স্মরনাপন্ন হব। ৮০।
ওঁ নমঃ শিবায়।
ওঁ নমঃ ভগবতে বাসুদেবায়।

Thursday, January 21, 2016

:)

আজ হঠাৎ ইচ্ছা হল তাই তুললাম ভিডিও টা। আমার বর্ত্মানে ফোনের ক্যামেরা টা বাজে, তাই quality maintain হলনা।
বলবার  কথা হল, এখন এই কিছুক্ষনাগে অর একটা ছবি তুলতে চাইলাম- প্রচন্ড নারাজ এবং আমাকে বকে, ইচ্ছা করে পোজ নষ্ট করে ছবি তুলতে দিলনা। শেষে যেই বললাম, 'আচ্ছা আর তুলবনা', অমনি আমাকে আলতো করে ঢুঁ মেরে ঘরে ঢুকে শুয়ে পড়ল।
একটু আগে খেয়েছে। বোধহয় নিজের ছবি সম্পর্কে সচেতন! যাতে মোটা না লাগে।

Tuesday, January 19, 2016

না লেখার কারন

জীবন টা খুব জটিল মশাই, ইচ্ছা আর চিন্তার মধ্যে বিস্তর ফারাক, মাঝখান থেকে আকুতি গুলো চক্রবৃদ্ধি হারে বেড়ে চলেছে। ইদানীং কালে আমায় অনেক সাংসারিক কাজ করতে হচ্ছে,যা কিনা কোনকালে করব বলে ভাবিই নি। অবশ্য আমার প্ল্যান অনুযায়ী আমার জীবনে কিছুই হয়নি এই ৩০ বছর অবধি। যাক পুরোনো কথা বললে নিজেকে বড্ড অকর্মন্য মনে হয়, বাদ দিলুম। অনেকে বলে আমার দোষ আছে, আমি বলব- যে ভাবনা চিন্তা বা কাজ গুলোর জন্য সাধারণ মধ্যবিত্ত গন্ডির মধ্যে আমি দোষী সাব্যস্ত হলুম সেটার উৎস ও তো ঐ উপরের ভদ্রলোকটির! আমি বাসুখুড়ো বলে ডাকি, আপনারা যে যার মত বুঝে নিন।
ভনিতাটা ঠিক জমল না! প্রথমে অভিনয় করব ভেবেছিলাম, মানিক বাবু এবং আরো অনেকে মাথাটা বিগড়ে দিলেন। লেখাটা একপ্রকার স্বাভাবিক ভাবে আসে (সাহিত্য গুণের কথা বলছিনা), সেগুলো নিয়ে এগোলাম কিন্তু বুঝলাম লক্ষ্মী দেবী সাথ দিলেন না, দোরে দোরে ঘুরে বাংলায় কিছু হবেনা। পিছনে নিজের কয়েকটা ভুল ছিল, তবে সেটা একান্তই উপযুক্ত পরামর্শের অভাবে। একটা সময় গিয়ে বুঝলাম নিজেকেই করে নিতে হবে, আরো একটা জিনিস বুঝলাম নেহাত ই লিখব, একটা সিনেমা বানাবো লোকে বেশ না বুঝে 'আপনি' 'আজ্ঞে' করে বলবে আমি তো বাংলা সিনেমা দেখিনা তবে আপনারটা দেখি, সত্যি বলতে কি এসব চারপাশে  এত ন্যাকামো দেখছি রোজ ভাল্লাগছে না। করছি অনেক কিছুই কতগুলো লক্ষ্যে পৌঁছবার জন্য, এখন বলতে গেলে কিরকম ব্যাখ্যান করছি মনে হবে, তাছাড়া এখনো বড়লোক হইনি আর SRK তো বলেছেন, 'বড়লোক হইবার পূর্বে দার্শনিক মন্তব্য বা কথা বলিতে নাই' (ঠিক এরকমটাই বলেন নি, তবে ভাবার্থটা এরকমই)।
হ্যাঁ লেখাটা দেরী হয়ে যাচ্ছে অনেক গুলো কারণে ১মত, জ্যোতিষে পড়তে হয় অনেক, বুঝতে হয়, আমি পন্ডিত নই, কিছুটা নিজের স্বার্থেই লিখছিলাম যাতে শিক্ষাটা রপ্ত হয়। এছাড়া আরো পড়াশুনা আছে, এই তো রামকৃষ্ণ বাবুর(ফেসবুকের বন্ধু, আমি জ্যাঠু বলি, আফসোস এখনো সামনা সামনি আলাপ টা হয়নি) লেখা পড়ে পড়ে মুজতবা আলির লেখা পড়তে শুরু করলাম (এর আগে পড়িনি কেন জানিনা, মুর্খামিই হবে) টানা পড়তে পারছিনা। অনেক গুলো ভাবনা জমে আছে, কাজ থেমে আছে  করা হচ্ছে না। মা থেকে থেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন, আমি বেসামাল হয়ে পড়ছি।
যাক আবার লিখব, লিখতেই হবে। আশা করি বসু খুড়োর দয়ায় সব ঠিক হয়ে যাবে। হ্যাঁ সিনেমাও বানাবো।

কুলের আচার ও পুরাতনী চিঠি

 মনে করুন, এভাবেই সময় চলছে... তাতে তো আর জীবন কাকু থেমে থাকবে না। এগিয়েই যাবে। মনে করুন এরকম ভাবেই ২০২৫ এর বসন্ত এসে গেছে, এভাবেই ঘরে বসে কা...